যে রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে জামায়াত-শিবিরের হাজারো নেতাকর্মী দিন-রাত পরিশ্রম করে এনসিপির আখতার হোসেনের পক্ষে মাঠে কাজ করেছে, সেই আসনেই আজ এনসিপির পক্ষ থেকে চরম বিশ্বাসঘাতকতার নজির দেখা গেল।
কাউনিয়া উপজেলার কিছু বিএনপি ও সাধারণ মানুষকে এনসিপিতে যোগদান করিয়ে প্রচার করা হয়েছে— “জামায়াত থেকে এনসিপিতে যোগদান”। দলটির নেতাকর্মীরা এটা প্রচারও করেছে ফলাওভাবে অথচ বাস্তবতা হলো, জামায়াতের কোনো নেতা বা কর্মী এনসিপিতে যোগ দেয়নি। যোগ দিয়েছে বিএনপির লোকজন।
রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য জামায়াতকে জড়িয়ে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা শুধু অনৈতিকই নয়, এটি সরাসরি প্রতারণা।
বিষয়টি এতটাই গুরুতর যে উপজেলা জামায়াত সংবাদ সম্মেলন করে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে।
মানুষের সমর্থন না পেয়ে অন্যের কর্মীকে নিজের কর্মী বানিয়ে প্রচার করার এই সংস্কৃতি রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বেরই বহিঃপ্রকাশ।
নির্বাচনের কয়দিন হলো? অথচ এর মধ্যেই যদি এমন ইউ-টার্ন, অপপ্রচার ও গাদ্দারির রাজনীতি শুরু হয়, তাহলে জনগণও সময়মতো এর জবাব দিতে জানে।
বিশ্বাসের ওপর আঘাত করে, মিথ্যার ওপর দাঁড়িয়ে কখনো দীর্ঘমেয়াদি রাজনীতি করা যায় না। ইতিহাস বারবার সেটাই প্রমাণ করেছে।